টমেটো চাষ কেন সারা বছর লাভজনক?
টমেটো (Solanum lycopersicum L.) বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সবজি। BBS-এর কৃষি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে টমেটো উৎপাদন ২০১৬-১৭ সালের ৩,৮১,৬৭৪ মেট্রিক টন থেকে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে আসছে এবং এখন দেশে ৫০টিরও বেশি জাতের টমেটো চাষ হচ্ছে।[¹] BARI-এর গবেষণায় দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালীন উচ্চফলনশীল জাতে হেক্টরপ্রতি ৬৪.৯ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।[²]
টমেটো চাষ সম্পর্কে দ্রুত তথ্য
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| বৈজ্ঞানিক নাম | Solanum lycopersicum L. |
| চারা রোপণের সময় | কার্তিকের শেষ – অগ্রহায়ণের প্রথম সপ্তাহ (অক্টোবর শেষ – নভেম্বর প্রথম) |
| দিনের তাপমাত্রা | ২৫-৩০°C |
| রাতের তাপমাত্রা | ১৫-২০°C |
| উপযুক্ত মাটি | উর্বর দোআঁশ মাটি সর্বোত্তম |
| বীজের পরিমাণ | ১ গ্রাম/শতক |
| চারার বয়স (রোপণের সময়) | ৩০-৩৫ দিন বা ৪-৬ পাতাবিশিষ্ট |
| ফসল সংগ্রহ | চারা লাগানোর ৬০-৮০ দিন পর |
| একরে ফলন | ১০-১৫ মেট্রিক টন |
দ্রুত উত্তর: শীতকালীন টমেটো চারা রোপণের সঠিক সময় কার্তিকের শেষ থেকে অগ্রহায়ণের প্রথম সপ্তাহ (অক্টোবর শেষ – নভেম্বর প্রথম)। BARI-এর গবেষণায় BARI টমেটো-১৪ গ্রীষ্মকালীন চাষে সর্বোচ্চ ৬৪.৯ টন/হেক্টর ফলন দিয়েছে।[²]
টমেটোর পুষ্টিগুণ
USDA FoodData Central অনুযায়ী, প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা টমেটোতে রয়েছে:[³]
| পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ | দৈনিক চাহিদার % |
|---|---|---|
| ক্যালোরি | ১৮ কিলোক্যালরি | — |
| ভিটামিন C | ১৩.৭ মিগ্রা | ১৫% |
| ভিটামিন K | ৭.৯ মাইক্রোগ্রাম | ৭% |
| পটাশিয়াম | ২৩৭ মিগ্রা | ৫% |
| লাইকোপেন | ২,৫৭৩ মাইক্রোগ্রাম | — |
| ফোলেট | ১৫ মাইক্রোগ্রাম | ৪% |
টমেটোতে থাকা লাইকোপেন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ, হৃদরোগ থেকে সুরক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর।[⁴]
টমেটোর উল্লেখযোগ্য জাতসমূহ
আগাম জাত (জুলাই-সেপ্টেম্বরে বীজ বপন): বারি টমেটো-৪, বারি টমেটো-৫
মাঝ মৌসুমি জাত (সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে বীজ বপন): মানিক, মহুয়া, রতন, বারি টমেটো-৩, বারি টমেটো-৬, বারি টমেটো-৭, বারি টমেটো-৯
নাবি জাত (জানুয়ারিতে বীজ বপন): বাহার, রোমা ভিএফ, সুরক্ষা, রাজা
গ্রীষ্মকালীন জাত: শ্রাবণী, বারি টমেটো-৪, বারি টমেটো-১০, বারি টমেটো-১৪
অন্যান্য জাত: হীরা, মারগ্লোব, রূপালি, সাথী, সবল, মিন্টু, লাভলী, ডেলটা
BARI-এর গবেষণায় (২০২০) গ্রীষ্মকালীন চাষে বারি টমেটো-১৪ সর্বোচ্চ ফলন (৬৪.৯ টন/হেক্টর), সেরা TSS (৫.৩৩%) ও সর্বোচ্চ লাইকোপেন (৮.৯৭ মিগ্রা/১০০গ্রা) দিয়েছে।[²]
ধাপে ধাপে টমেটো চাষ পদ্ধতি
ধাপ ১ — বীজতলা তৈরি ও চারা উৎপাদন
বীজ বপনের মৌসুম:
| মৌসুম | বীজ বপনের সময় | চারা রোপণের সময় |
|---|---|---|
| আগাম | জুলাই – সেপ্টেম্বর | ভাদ্র-আশ্বিন |
| মধ্য মৌসুম | সেপ্টেম্বর – অক্টোবর | কার্তিক শেষ – অগ্রহায়ণ প্রথম |
| নাবি | জানুয়ারি | ফাল্গুন |
| গ্রীষ্মকালীন | — | চৈত্র-বৈশাখ |
বীজতলা তৈরির পদ্ধতি: ১. আলো-বাতাসযুক্ত উঁচু স্থানে ভালোভাবে চাষ দিয়ে ১ মিটার চওড়া ও ৩-৫ মিটার লম্বা বেড তৈরি করুন ২. প্রতিটি বীজতলায় (১মি × ৩মি) ৫০ গ্রাম বীজ ঘন করে বুনুন ৩. বীজতলার মাটিতে জৈব সার মিশিয়ে পলিথিন দিয়ে দু'সপ্তাহ ঢেকে রাখুন — সূর্যতাপে মাটি শোধন হবে ৪. সেচ দেওয়া মাটির "জো" অবস্থায় বীজ বপন করুন — শুকনা মাটিতে বুনলে চটা বেঁধে চারা গজাতে সমস্যা হয় ৫. বীজ থেকে চারা গজাতে ৬-১৪ দিন লাগে ৬. অতিরিক্ত বৃষ্টি ও রোদ থেকে রক্ষায় পলিথিন ও চাটাই দিয়ে ঢেকে রাখুন
ধাপ ২ — জমি তৈরি ও চারা রোপণ
- জমি ৪-৫ বার চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করুন
- গ্রীষ্মকালে ২০-২৫ সেমি উঁচু এবং ২৩০ সেমি চওড়া বেড তৈরি করুন
- দুটি বেডের মাঝে ৩০ সেমি নালা রাখুন
- চারার বয়স ৩০-৩৫ দিন বা ৪-৬ পাতা হলে মাঠে রোপণ করুন
- এক সারি থেকে অন্য সারির দূরত্ব ৬০ সেমি (২.৫-৩ ফুট); গাছ থেকে গাছ ২ ফুট
- চারা তোলার আগে বীজতলার মাটি ভিজিয়ে নিন; শিকড় যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়
- বিকেলে চারা রোপণ করুন; লাগানোর পর হালকা সেচ দিন
ধাপ ৩ — সার প্রয়োগ পদ্ধতি
প্রতি শতকে সারের পরিমাণ:
| সারের নাম | পরিমাণ | প্রয়োগের সময় |
|---|---|---|
| গোবর সার | ৩০-৪৫ কেজি | অর্ধেক শেষ চাষে, বাকি গর্তে |
| ইউরিয়া | ২-২.৪ কেজি | দুই কিস্তিতে (৩য় ও ৫ম সপ্তাহে) |
| টিএসপি | ১.৬-২ কেজি | শেষ চাষের সময় |
| এমওপি | ০.৮-১.২ কেজি | দুই কিস্তিতে (৩য় ও ৫ম সপ্তাহে) |
অতিরিক্ত: জিপসাম, জিংক সালফেট, বোরিক এসিড ও ম্যাগনেসিয়াম সালফেট ঘাটতি থাকলে প্রয়োগ করুন।
ইউরিয়া ও এমওপি দুই সমান কিস্তিতে — পার্শ্বকুশী ছাঁটাইয়ের পর চারা লাগানোর ৩য় সপ্তাহে ও ৫ম সপ্তাহে রিং পদ্ধতিতে প্রয়োগ করুন।
ধাপ ৪ — সেচ ও পরিচর্যা
- শুষ্ক মৌসুমে নিয়মিত সেচ দিন; বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখুন
- টমেটো গাছ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না
- প্রতিটি সেচের পর মাটির চটা ভেঙে দিন
- পার্শ্বকুশী ও মরাপাতা ছাঁটাই করুন
- গাছ হেলে না পড়তে ‘অ’ আকৃতির বাঁশের খুঁটি দিন
- ভাইরাস রোগ দেখা দিলে গাছ উপড়ে ফেলুন
- চারা লাগানোর ৭-১০ দিন পর শতকে ১-২টি হলুদ রঙের ফাঁদ দিন
ধাপ ৫ — স্প্রে শিডিউল (এ আর মালিক সীডের কৃষিবিদ আব্দুল কাইয়ুমের পরামর্শ)
| সময় | স্প্রে |
|---|---|
| চারা লাগানোর ৪-৫ দিন পর | কার্বেন্ডাজিম ২গ্রা/লিটার (ছত্রাকনাশক) |
| ৩০-৭০ দিন পর্যন্ত (১০-১২ দিন পর পর) | ইমিডাক্লোপ্রিড ১মিলি/লি + কার্বেন্ডাজিম ২গ্রা/লি |
| ৪০-৬০ দিন | শুধু ছত্রাকনাশক (পোকার আক্রমণ না থাকলে) |
| তাপমাত্রা ৩০°C-এর বেশি হলে | উপরের সাথে ডেল্টামেথ্রিন ১মিলি/লি + স্পিনোসাড ১মিলি/লি |
| ৩৫-৪০ দিন পর (১০ দিন পর পর) | কার্বেন্ডাজিম ২গ্রা/লি + স্ট্রেপটোমাইসিন সালফেট ০.২গ্রা/লি |
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: সব স্প্রে একই ক্ষেতে করতে হবে না। শিডিউল স্প্রে নিয়মিত দিন, যার ক্ষেতে যে রোগ হবে সেই অনুযায়ী অতিরিক্ত স্প্রে করুন।
ধাপ ৬ — ফসল সংগ্রহ
- চারা লাগানোর ৬০-৮০ দিনের মধ্যে টমেটো সংগ্রহ করা যায়
- ফলের নিচে ফুল ঝরার দাগ থেকে লালচে ভাব শুরু হলে বাজারজাতকরণের জন্য সংগ্রহ করুন
- দূরে পাঠানোর জন্য একেবারে পাকা টমেটো তোলা উচিত নয়
- সঠিক পরিচর্যায় প্রতি একরে ১০-১৫ মেট্রিক টন ফলন সম্ভব
পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন
রোগবালাই সমন্বিত গাইড
| রোগ/পোকা | লক্ষণ | প্রতিকার |
|---|---|---|
| চারা ধ্বসা রোগ | চারার গোড়া পচে মরে যায় | শতকে ১ কেজি সরিষা খৈল + ৩-৪ কেজি ট্রাইকো-কম্পোস্ট; কার্বেন্ডাজিম ২গ্রা/লি |
| আগাম ধ্বসা রোগ | পাতায় দাগ | ম্যানকোজেব ২গ্রা/লি বা ম্যানকোজেব+মেটালেক্সিল ২গ্রা/লি |
| নাবি ধ্বসা রোগ | কুয়াশায় বেশি হয় | ম্যানকোজেব+মেটালেক্সিল ২গ্রা/লি বা সিকিউর ২গ্রা/লি |
| বুশি স্টান্ট/পাতা কুঁকড়া | পাতা কুঁকড়ায় ও ছোট হয় | আক্রান্ত গাছ (১-৫%) তুলুন; ইমিডাক্লোপ্রিড ১মিলি/লি |
| লিফ কার্ল (ভাইরাস) | পাতা কুঁকড়ায় | আক্রান্ত গাছ তুলুন; ইমিডাক্লোপ্রিড ১মিলি/লি |
| পাতা সুড়ঙ্গকারী পোকা | পাতায় আঁকাবাঁকা দাগ | ডেল্টামেথ্রিন ১মিলি/লি বা স্পিনোসাড ১মিলি/লি |
| ফল ছিদ্রকারী পোকা | ফলে গর্ত হয় | নিমবীজ দ্রবণ ১০ দিন পর পর; বেশি আক্রমণে এমামেকটিন বেনজোয়েট ১গ্রা/লি |
| ব্লোসম এন্ড রট | ফলের নিচে পচে যায় (ক্যালসিয়ামের অভাব) | শতকে ৩.৫-৪ কেজি ডলোচুন; খাবার চুন ৩০গ্রা/লি |
| ছত্রাকে ঢলে পড়া | গাছ হলুদ হয়ে ঢলে পড়ে | কার্বেন্ডাজিম ২গ্রা/লি বা কপার-অক্সিক্লোরাইড ২গ্রা/লি গোড়ায় |
| ব্যাকটেরিয়ায় ঢলে পড়া | দ্রুত ঢলে পড়ে | স্ট্রেপটোমাইসিন সালফেট ০.২গ্রা/লি গোড়ায় |
| ফল ফেটে যাওয়া | পরিপক্ক ফল ফেটে যায় | হঠাৎ পানি দেবেন না; সলুবোর বোরন ২গ্রা/লি |
| নেমাটোড | শিকড়ে গিট | চারা লাগানোর ১৫ দিন আগে শতকে ৮০-৮৫গ্রা ব্লিচিং পাউডার + ১২০-১৩৫গ্রা কার্বোফুরান |
টবে ও ছাদ বাগানে টমেটো চাষ
মাটি তৈরির ফর্মুলা
| উপাদান | পরিমাণ |
|---|---|
| সাধারণ মাটি | ৫০% |
| বালু | ২০% |
| জৈব সার | ১০% |
| গোবর সার | ১০% |
| শিং কুচি | ৫% |
| হাড়ের গুঁড়া | ৫% |
| নিম খৈল | সামান্য |
মাটি তৈরির পর কিছুদিন রেখে তারপর গাছ লাগান।
চারা ও পরিচর্যা:
- ৪০ দিন বয়সী চারা লাগানো সর্বোত্তম
- ১০ ইঞ্চি টবে একটি, ড্রামে সর্বোচ্চ দুটি গাছ
- চারার দূরত্ব: পাশাপাশি ২৪ ইঞ্চি, অন্যদিকে ১৫ ইঞ্চি
- ৭-৮ ঘণ্টা রোদ পড়ে এমন জায়গায় রাখুন
- শুরু থেকেই লাঠি বেঁধে দিন (উত্তর পাশে)
- নিচের ডালপালা কেটে দিলে ফলন বাড়ে
- অক্টোবরে চাষ শুরু করলে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফল পাবেন
জৈব খাবার: সরিষা খৈল, পচা পানি, ভার্মি কম্পোস্ট, জৈব সার, নিম খৈল, হাড়ের গুঁড়া, ইপসম সল্ট (স্প্রে আকারে)।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
উত্তর: কার্তিকের শেষ সপ্তাহ থেকে অগ্রহায়ণের প্রথম সপ্তাহ (অক্টোবর শেষ – নভেম্বর প্রথম) শীতকালীন টমেটো চারা রোপণের সঠিক সময়।
উত্তর: চারা লাগানোর ৬০-৮০ দিনের মধ্যে টমেটো সংগ্রহ করা যায়।
উত্তর: এটি ব্লোসম এন্ড রট রোগ — ক্যালসিয়ামের অভাবে হয়। অম্লীয় মাটিতে শতকে ৩.৫-৪ কেজি ডলোচুন প্রয়োগ করুন বা খাবার চুন ৩০গ্রা/লিটার পানিতে মিশিয়ে মাটিতে দিন।
উত্তর: খরার পর হঠাৎ বেশি পানি দিলে ফল ফেটে যায়। নিয়মিত সেচ দিন এবং সলুবোর বোরন ২গ্রা/লিটার স্প্রে করুন।
উত্তর: BARI-এর গবেষণায় বারি টমেটো-১৪ গ্রীষ্মকালীন চাষে সর্বোচ্চ ৬৪.৯ টন/হেক্টর ফলন দিয়েছে। এছাড়া শ্রাবণী ও বারি টমেটো-১০ গ্রীষ্মকালীন চাষে উপযুক্ত।[²]
উত্তর: এটি ভাইরাস রোগের লক্ষণ। আক্রান্ত গাছ (১-৫%) তুলে ধ্বংস করুন এবং বাহক পোকা দমনে ইমিডাক্লোপ্রিড ১মিলি/লিটার স্প্রে করুন।
উত্তর: টবে বা ছাদে টমেটো ভালো করতে দিনে ৭-৮ ঘণ্টা সরাসরি রোদ পড়ে এমন জায়গায় রাখুন।
উত্তর: সঠিক পরিচর্যায় প্রতি একরে ১০-১৫ মেট্রিক টন ফলন পাওয়া সম্ভব। BARI-এর গবেষণায় উন্নত জাতে হেক্টরপ্রতি ৬৪.৯ টন পর্যন্ত পাওয়া গেছে।[²]
সংক্ষিপ্ত চাষ ক্যালেন্ডার
| সময় | কাজ |
|---|---|
| জুলাই-সেপ্টেম্বর | আগাম জাতের বীজ বপন |
| সেপ্টেম্বর-অক্টোবর | মাঝ মৌসুমি জাতের বীজ বপন |
| ভাদ্র-আশ্বিন | আগাম জাতের চারা রোপণ |
| অক্টোবর শেষ – নভেম্বর প্রথম | শীতকালীন চারা রোপণ (সর্বোত্তম) |
| চারা লাগানোর ৪-৫ দিন পর | কার্বেন্ডাজিম স্প্রে |
| চারা লাগানোর ৭-১০ দিন পর | হলুদ ফাঁদ স্থাপন |
| ৩য় সপ্তাহ ও ৫ম সপ্তাহে | ইউরিয়া ও এমওপি উপরি সার |
| ৩০ দিন পর থেকে | নিয়মিত স্প্রে শিডিউল শুরু |
| চারা লাগানোর ৬০-৮০ দিন পর | ফসল সংগ্রহ |
উপসংহার
আধুনিক পদ্ধতিতে টমেটো চাষ করলে একরে ১০-১৫ মেট্রিক টন ফলন পাওয়া সম্ভব। সঠিক জাত নির্বাচন, নিয়মিত স্প্রে শিডিউল মেনে চলা, ভাইরাস রোগ প্রতিরোধ এবং সুষম সার ব্যবস্থাপনাই টমেটো চাষে সাফল্যের চাবিকাঠি।
আরো পড়ুন …
তথ্যসূত্র ও সাইটেশন
[¹] Bangladesh Bureau of Statistics (BBS). Yearbook of Agricultural Statistics 2021. Ministry of Planning, Government of Bangladesh. https://bbs.gov.bd/site/page/47856ad0-7e1c-4aef-a3d0-b459e9f2e3a0/- (BBS তথ্য — বাংলাদেশে টমেটো উৎপাদনের পরিসংখ্যান ও জাতের সংখ্যা)
[²] Akter, M.S., Rahman, M.A., Hossain, M.A. et al. (2020). Performance evaluation of heat tolerant summer tomato genotypes in Bangladesh. Bangladesh Journal of Agricultural Research, 45(2): 285-294. BARI. https://www.banglajol.info/index.php/BJAR/article/view/49125 (BARI গবেষণা — বারি টমেটো-১৪: সর্বোচ্চ ৬৪.৯ টন/হেক্টর, TSS ৫.৩৩%, লাইকোপেন ৮.৯৭মিগ্রা/১০০গ্রা)
[³] USDA FoodData Central. Tomatoes, red, ripe, raw, year round average. FDC ID: 1999631. https://fdc.nal.usda.gov/food-details/1999631/nutrients (টমেটোর পুষ্টি উপাদান — USDA ডেটাবেজ)
[⁴] Healthline (2023). Tomatoes 101: Nutrition Facts and Health Benefits. https://www.healthline.com/nutrition/tomatoes-101 (টমেটোর লাইকোপেন, ভিটামিন C ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের স্বাস্থ্যগুণ)
[⁵] BAMiS / DAE Bangladesh. Tomato — Crop Information. https://www.bamis.gov.bd/en/crops/view/tomato (বাংলাদেশ সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিস — টমেটো চাষের আনুষ্ঠানিক নির্দেশিকা)
এই তথ্য বীজঘর কৃষি কথা বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত। কৃষি বিষয়ক আরও তথ্যের জন্য বীজঘর ব্লগ অনুসরণ করুন।

খুবই উপকারী তথ্য টমেটো চাষের জন্য। ধন্যবাদ স্যার আপনাদের।
আমি একজন কৃষক