বাংলাদেশে বারো মাসে বারো রকম ফসল হয়। কিন্তু সঠিক মাসে সঠিক সবজি না চাষ করলে ফলন কম হয়, রোগবালাই বাড়ে এবং লাভ কমে যায়। এই গাইডে আপনি জানবেন — বৈশাখ থেকে চৈত্র পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা মাসে কী কী সবজি ও ফল চাষ করা যায়, কখন বীজ বপন করতে হয়, এবং কোন মৌসুমে কোন কাজ করতে হবে।
কোন মাসে কী ধরনের শাক-সবজি ও ফল চাষ করবেন? বাংলাদেশের সম্পূর্ণ কৃষি ক্যালেন্ডার
আবহাওয়ার বৈচিত্র্যের কারণে এ দেশের মাটিতে বছরজুড়ে ফলে হরেক রকম ফসল। তবে কৃষিতে কাঙ্ক্ষিত সফলতা পাওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো—সঠিক সময়ে সঠিক বীজ বপন করা। অনুপযুক্ত সময়ে ভালো বীজ রোপণ করলেও আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায় না।
বাংলাদেশের কৃষি মৌসুম সম্পর্কে কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের কৃষির প্রধান মৌসুম ৩টি—রবি, খরিফ-১ এবং খরিফ-২। এই মৌসুমগুলোর ওপর ভিত্তি করে ১২ মাসের একটি সম্পূর্ণ রোপণ নির্দেশিকা বা চাষাবাদ ক্যালেন্ডার নিচে তুলে ধরা হলো।
বাংলাদেশে কৃষির মৌসুম কয়টি ও কী কী?
বাংলাদেশে কৃষির মৌসুম তিনটি:
|
মৌসুম |
বাংলা মাস |
ইংরেজি সময়কাল |
বৈশিষ্ট্য |
|
রবি |
আশ্বিন – ফাল্গুন |
অক্টোবর – মার্চ |
কম তাপমাত্রা, কম বৃষ্টি |
|
খরিফ–১ |
ফাল্গুন – আষাঢ় |
মার্চ – জুলাই |
বেশি তাপ, মাঝে মাঝে ঝড় |
|
খরিফ–২ |
আষাঢ় – ভাদ্র |
জুলাই – অক্টোবর |
বেশি আর্দ্রতা, প্রচুর বৃষ্টি |
দ্রুত উত্তর: বাংলাদেশে রবি (শীতকালীন), খরিফ–১ (গ্রীষ্মকালীন) এবং খরিফ–২ (বর্ষাকালীন) — এই তিনটি কৃষি মৌসুম রয়েছে।
মাসভিত্তিক সবজি ও ফল চাষের তালিকা
বৈশাখ মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য এপ্রিল – মধ্য মে)
বৈশাখ মাস বীজ বপনের জন্য আদর্শ সময়।
বীজ বপন করুন:
- লালশাক, গিমাকলমি, ডাটা, পাতাপেঁয়াজ, পাটশাক
- বেগুন, মরিচ, আদা, হলুদ, ঢেঁড়স
- গ্রীষ্মকালীন টমেটো (চারা রোপণ)
মাচা তৈরি ও চারা উৎপাদন করুন:
- মিষ্টিকুমড়া, করলা, ধুন্দুল, ঝিঙা, চিচিংগা, চালকুমড়া, শসা
ফসল সংগ্রহ করুন:
- ডাটা, পুঁইশাক, লালশাক, বরবটি, কচি শজিনা, তরমুজ, বাঙ্গি
ফল বাগানের কাজ:
- চাষের স্থান নির্বাচন, উন্নত জাতের চারা সংগ্রহ, পুরনো গাছে সার ও সেচ দিন
জ্যৈষ্ঠ মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য মে – মধ্য জুন)
জ্যৈষ্ঠে খরিফ–২ চারা রোপণ ও ফসল সংগ্রহের মাস।
রোপণ ও পরিচর্যা করুন:
- খরিফ–২ সবজির চারা রোপণ, সেচ ও সার প্রয়োগ
- গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চারা রোপণ ও পরিচর্যা
- নাবীকুমড়ার মাচা তৈরি ও সার প্রয়োগ
ফসল সংগ্রহ করুন:
- শজিনা, ঝিঙা, চিচিংগা, ধুন্দুল, পটল, কাকরোল
ফল বাগানের কাজ:
- রোপণের গর্ত প্রস্তুত, বয়স্ক গাছে সার প্রয়োগ, ফল সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণ । তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স: মে মাসের কৃষি ডায়েরি
আষাঢ় মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য জুন – মধ্য জুলাই)
আষাঢ়ে বর্ষার শুরু — রোগবালাই দমনে সতর্ক থাকুন।
পরিচর্যা করুন:
- গ্রীষ্মকালীন বেগুন, টমেটো, কাঁচামরিচের পরিচর্যা
- খরিফ–২ সবজির চারা রোপণ ও সেচ–সার প্রয়োগ
- শিমের বীজ বপন করুন
ফসল সংগ্রহ করুন:
- বেগুন, টমেটো, ঢেঁড়স
ফল বাগানের কাজ:
- ফল ও ওষুধি গাছের চারা রোপণ, খুঁটি ও বেড়া দেওয়া, সার প্রয়োগ
শ্রাবণ মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট)
শ্রাবণে আগাম রবি সবজির প্রস্তুতি শুরু করুন।
বীজতলা তৈরি ও বীজ বপন করুন:
- বাঁধাকপি, ফুলকপি, লাউ, টমেটো, বেগুন (আগাম রবি বীজতলা)
- শিম, লালশাক, পালংশাক
সংগ্রহ ও দমন করুন:
- খরিফ–২ সবজি সংগ্রহ, পোকামাকড় দমন
ফল বাগানের কাজ:
- চারার পরিচর্যা, উন্নত কলম রোপণ, ফল সংগ্রহ
ভাদ্র মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য আগস্ট – মধ্য সেপ্টেম্বর)
ভাদ্র মাসে রবি মৌসুমের জমি তৈরি শুরু করুন।
চারা রোপণ ও জমি তৈরি করুন:
- বাঁধাকপি, ফুলকপি, ওলকপি, টমেটো, বেগুন, কুমড়া, লাউ
বীজতলা তৈরি করুন:
- মধ্যম ও নাবী রবি সবজির বীজতলা
সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করুন:
- নাবী খরিফ–২ সবজি সংগ্রহ ও বীজ সংরক্ষণ
ফল বাগানের কাজ:
- চারার পরিচর্যা, ফল সংগ্রহের পর গাছের ডাল ছাঁটাই
আশ্বিন মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য সেপ্টেম্বর – মধ্য অক্টোবর)
আশ্বিনে রবি মৌসুম সক্রিয় হয়ে ওঠে।
রোপণ ও পরিচর্যা করুন:
- আগাম রবি সবজির চারা রোপণ ও সেচ–সার প্রয়োগ
- নাবী রবি সবজির বীজতলা তৈরি ও বীজ বপন
- শিম, লাউ, বরবটির মাচা তৈরি
বিশেষ কাজ:
- রসুন ও পেঁয়াজের বীজ বপন
- আলু রোপণ শুরু করুন
ফল বাগানের কাজ:
- গোড়ায় মাটি দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার ও সার প্রয়োগ
কার্তিক মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য অক্টোবর – মধ্য নভেম্বর)
কার্তিকে রবি মৌসুমের পরিপূর্ণ প্রস্তুতি।
পরিচর্যা ও সংগ্রহ করুন:
- আলুর কেইল বাঁধা ও আগাম রবি সবজির পরিচর্যা
- বাঁধাকপি, ফুলকপি, ওলকপির গোড়া বাঁধা ও আগাছা পরিষ্কার
- মরিচের বীজ বপন ও চারা রোপণ
নাবী সবজির প্রস্তুতি নিন:
- নাবী রবি সবজির চারা উৎপাদন, জমি তৈরি ও রোপণ
ফল বাগানের কাজ:
- সার প্রয়োগ ও মালচিং করে মাটিতে রস সংরক্ষণ
অগ্রহায়ণ মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য নভেম্বর – মধ্য ডিসেম্বর)
অগ্রহায়ণে শীতকালীন সবজির পূর্ণ যত্ন নিন।
বিশেষ কাজ:
- মিষ্টি আলুর লতা রোপণ ও পূর্বে রোপণকৃত লতার পরিচর্যা
- পেঁয়াজ, রসুন ও মরিচের চারা রোপণ
- আলুর জমিতে সার ও সেচ প্রদান
সবজির যত্ন করুন:
- ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, বেগুন, ওলকপি, শালগমের চারার যত্ন
ফল বাগানের কাজ:
- মালচিং ও পরিমিত সার প্রয়োগ
পৌষ মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য ডিসেম্বর – মধ্য জানুয়ারি)
পৌষে পোকামাকড় দমন ও ফসল সংগ্রহ প্রধান কাজ।
দমন ও সংগ্রহ করুন:
- আগাম ও মধ্যম রবি সবজির পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন
- রবি সবজি সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণ
নাবী সবজির পরিচর্যা করুন:
- নাবী রবি সবজির পরিচর্যা ও ফলগাছের রোগবালাই দমন
বোনাস পরামর্শ:
বাণিজ্যিকভাবে মৌসুমি ফুল চাষ করতে চাইলে পৌষ মাসে বেশি সার প্রয়োগ করুন।
মাঘ মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য জানুয়ারি – মধ্য ফেব্রুয়ারি)
মাঘে খরিফ–১ মৌসুমের প্রস্তুতি শুরু হয়।
পরিচর্যা করুন:
- আলু, পেঁয়াজ, রসুনের গোড়ায় মাটি তোলা ও সেচ–সার প্রয়োগ
- টমেটোর ডাল ও ফল ছাঁটাই
- মধ্যম ও নাবী রবি সবজির সেচ, সার ও গোড়া বাঁধা
আগাম প্রস্তুতি নিন:
- খরিফ–১ সবজির বীজতলা তৈরি বা বীজ বপন শুরু করুন
গুরুত্বপূর্ণ টিপস: সুস্থ, সবল ও রোগমুক্ত চারা রোপণ করলে পরবর্তী ফলন অনেক ভালো হয়।
ফাগুন মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য ফেব্রুয়ারি – মধ্য মার্চ)
ফাগুনে গ্রীষ্মকালীন সবজির বীজ বপন শুরু হয়।
বীজ বপন ও চারা তৈরি করুন:
- নাবী খরিফ–১ সবজির বীজতলা তৈরি ও বীজ বপন
- ঢেঁড়স, ডাটা, লালশাকের বীজ বপন
ফসল সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করুন:
- আলু ও মিষ্টি আলু সংগ্রহ
- রবি সবজির বীজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ
আলু সংরক্ষণের বিশেষ পদ্ধতি:
গাছের বয়স ৯০ দিন হলে মাটির সমান করে গাছ কেটে দিন। মাটির নিচে আরও ১০ দিন (মোট ১০০ দিন) রাখুন — এতে আলুর চামড়া শক্ত হবে ও সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়বে।
চৈত্র মাসে কী কী সবজি চাষ করা যায়?
(মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল)
চৈত্রে গ্রীষ্মের সবজি চাষের পূর্ণ প্রস্তুতি নিন।
রোপণ ও বীজ বপন করুন:
- গ্রীষ্মকালীন বেগুন, টমেটো, মরিচের বীজ বপন বা চারা রোপণ
- নাবী জাতের বীজতলা তৈরি ও বীজ বপন
- প্রস্তুত চারা মূল জমিতে রোপণ
সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করুন:
- নাবী রবি সবজি সংগ্রহ, বীজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ
সেচ সতর্কতা:
চৈত্রে মাটিতে রসের ঘাটতি হলে ফলের গুটি ঝরে যায়। তাই নিয়মিত সেচ দিন এবং পোকামাকড় দমন করুন।
সারসংক্ষেপ: কোন মাসে কোন সবজি?
|
বাংলা মাস |
প্রধান সবজি/কাজ |
|
বৈশাখ |
লালশাক, ঢেঁড়স, বেগুন, মরিচ, কুমড়া জাতীয় |
|
জ্যৈষ্ঠ |
শজিনা, ঝিঙা, পটল, কাকরোল সংগ্রহ |
|
আষাঢ় |
শিম বপন, বেগুন–টমেটো সংগ্রহ |
|
শ্রাবণ |
বাঁধাকপি–ফুলকপির বীজতলা, পালংশাক |
|
ভাদ্র |
রবি সবজির জমি তৈরি, লাউ–বেগুন রোপণ |
|
আশ্বিন |
আলু, রসুন, পেঁয়াজ বপন, শিম–লাউ মাচা |
|
কার্তিক |
আলু পরিচর্যা, মরিচ রোপণ, রবি সবজি |
|
অগ্রহায়ণ |
মিষ্টি আলু, শীতকালীন সবজির পূর্ণ পরিচর্যা |
|
পৌষ |
রবি সবজি সংগ্রহ, পোকামাকড় দমন |
|
মাঘ |
রসুন–পেঁয়াজ পরিচর্যা, খরিফ–১ বীজতলা |
|
ফাগুন |
আলু সংগ্রহ, ঢেঁড়স–ডাটা বপন |
|
চৈত্র |
গ্রীষ্মকালীন বেগুন–টমেটো, সেচ ও পরিচর্যা |
কোন মাসে কোন ফলের চারা লাগানো ভালো?
| ফল | উপযুক্ত সময় |
|---|---|
| আম | আষাঢ়-ভাদ্র |
| লিচু | শ্রাবণ-ভাদ্র |
| পেয়ারা | বর্ষাকাল |
| লেবু | বর্ষাকাল |
| ড্রাগন | ফাল্গুন-বৈশাখ |
| মাল্টা | আষাঢ়-ভাদ্র |
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
উত্তর: বাংলাদেশের জলবায়ু অনুযায়ী সবজি ও ফসল চাষের প্রধান মৌসুম ৩টি। যথা: ১. রবি মৌসুম (শীতকাল: মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ), ২. খরিফ-১ মৌসুম (গ্রীষ্মকাল: মার্চ থেকে জুলাই) এবং ৩. খরিফ-২ মৌসুম (বর্ষাকাল: মধ্য জুলাই থেকে মধ্য অক্টোবর)।
উত্তর: পুঁইশাক, লালশাক, কলমিশাক ও ডাটা প্রায় সারা বছরই চাষ করা যায়। তবে মৌসুম অনুযায়ী বীজ বপনের সময় একটু পরিবর্তন হয়।
উত্তর: শীতকালীন (রবি মৌসুম) সবজির বীজতলা তৈরি শুরু হয় শ্রাবণ–ভাদ্র মাসে (জুলাই–আগস্ট)। চারা রোপণ হয় আশ্বিন–কার্তিক মাসে (সেপ্টেম্বর–অক্টোবর)।
1. শীতে একেকটি ছাদ হোক একেকটি ফসলের মাঠ
2. তীব্র শীতে সবজি চাষ, করণীয় ও স্প্রে সিডিউল
3. যেভাবে শীতকালীন শসা চাষ করবেন
উত্তর: বাংলাদেশে সাধারণত আশ্বিন মাসে (সেপ্টেম্বর–অক্টোবর) আলু লাগানো হয়। ফাগুন মাসে (ফেব্রুয়ারি–মার্চ) আলু সংগ্রহ করা হয়। সঠিক আলু চাষ পদ্ধতি জানতে পড়ুন।
উত্তর: বেগুন, ঢেঁড়স, করলা, ঝিঙা, চিচিংগা, ধুন্দুল, মিষ্টিকুমড়া ও পটল গ্রীষ্মকালে ভালো হয়।
উত্তর: বর্ষাকালে (খরিফ–২) শিম, বরবটি, লাউ, কাকরোল, চালকুমড়া এবং পাটশাক ভালো জন্মে।
বর্ষাকাল (আষাঢ়–ভাদ্র) অধিকাংশ ফলগাছের চারা রোপণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
উত্তর: আগাম টমেটোর জন্য শ্রাবণ–ভাদ্র এবং মূল মৌসুমের জন্য আশ্বিন–কার্তিক মাস উপযুক্ত। টমেটো গাছের রোগ-পোকা দমন, ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে “টমেটো আবাদের স্প্রে সিডিউল: সুস্থ ফসলের পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন“ পড়ুন।
উত্তর: আষাঢ় থেকে শ্রাবণ মাস শিমের বীজ বপনের উপযুক্ত সময়। শিম চাষে অধিক ফলন পেতে শিমের চাশবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ” আধুনিক শিম চাষ পদ্ধতি ” পড়ুন।
উত্তর: ফাল্গুন থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত ড্রাগন ফলের চারা রোপণ করা উত্তম। আধুনিক প্রদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ” নতুন পদ্ধতিতে ড্রাগন ফল চাষ” পড়ুন।
উত্তর: ঢেঁড়স, লালশাক, পুঁইশাক, করলা ও শসা তুলনামূলক সহজ এবং লাভজনক।
কৃষিতে সফলতার জন্য ৫টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
- অঞ্চলভেদে বপনের সময় সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
- সবসময় উন্নত ও রোগমুক্ত বীজ ব্যবহার করুন।
- জমির মাটি পরীক্ষা করে সার প্রয়োগ করুন।
- নিয়মিত পোকামাকড় ও রোগবালাই পর্যবেক্ষণ করুন।
- আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী সেচ ও পরিচর্যা পরিকল্পনা করুন।
সঠিক সময়ে বীজ বপন ও চারা রোপণ করলে কৃষিতে সফলতা নিশ্চিত করা সম্ভব। বাংলাদেশের ষড়ঋতুর বৈচিত্র্যকে কাজে লাগিয়ে বারো মাস সবজি ও ফল উৎপাদন করা যায়। এই গাইড অনুসরণ করে আপনার জমিতে সারা বছর সবুজ ফসলের সমারোহ ঘটান।
এই তথ্য বীজঘর কৃষি কথা বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত। কৃষি বিষয়ক আরও তথ্যের জন্য বীজঘর ব্লগ অনুসরণ করুন।
তথ্য যাচাই ও গবেষণা ভিত্তি
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) — ফসলভিত্তিক চাষাবাদ নির্দেশিকা ও কৃষি সম্প্রসারণ তথ্য।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) — সবজি ও ফল উৎপাদন প্রযুক্তি।
- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) — কৃষি প্রযুক্তি, ফসল ক্যালেন্ডার ও কৃষি বিষয়ক প্রকাশনা।
- কৃষি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ — জাতীয় কৃষি নীতি ও কৃষি উন্নয়ন তথ্য।
- কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডার – ফসল মৌসুম
✍️ About the Author
মসরুর জুনাইদ (Mosrur Zunaid) একজন কৃষি উদ্যোক্তা, কৃষি গবেষক এবং Agrinofy-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। তিনি বাংলাদেশে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও ডেটা-চালিত টেকসই কৃষি অবকাঠামো গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
Discover more from বীজ ঘর ডটকম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.



